Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

‘সার্বিয়া’ হবে বিশ্বকাপের আতংক

আহসান হাবীব সুমন/ক্রীড়ালোকঃ

যুগোস্লাভিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ফুটবল  পরাশক্তি হিসেবে প্রমাণের পথে এগিয়ে চলেছে ক্রোয়েশিয়া । তুলনায় সার্বিয়া বেশ কিছুটা পিছিয়ে । তবু , সার্বিয়াকে দল হিসেবে মোটেই ‘অগ্রাহ্য’ করার উপায় নেই । তারা বিশ্বকাপে ঘটাতে পারে যে কোন কিছু । কাতার বিশ্বকাপে সেরকম সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েই খেলতে যাচ্ছে সার্বিয়া ।

ফুটবল ইতিহাসঃ

যুগোস্লাভিয়ার অংশ হিসেবে সার্বিয়া ফুটবলে সক্রিয় উনিশ শতকের শেষভাগ থেকেই । অংশ নিয়েছে প্রথম বিশ্বকাপসহ নানা আসরে । তবে যুগোস্লাভিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হবার পর ১৯৯২ সাল থেকে সার্বিয়া-মন্টেনেগ্রো স্বাধীন দেশের পরিচিতি পায় । সেই সময় তাদের নাম  ছিল ‘ফেডারেল রিপাব্লিক অফ যুগোস্লাভিয়া’ । সেটাও অবশ্য খুব বেশীদিন টেঁকেনি । ২০০৩ সালে সার্বিয়া থেকে আলাদা হয়ে মন্টেনেগ্রো ।  সেই হিসেবে  বর্তমান সার্বিয়ার বয়স আসলে মাত্র দেড় যুগের কম । 

বর্তমান সার্বিয়া ২০০৬ সালের ১৬ আগস্ট ফিফা স্বীকৃত প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে চেক রিপাব্লিকের বিপক্ষে । চেকদের মাটিতে ম্যাচটি সার্বিয়া জিতেছিল ৩-১ গোলে । যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাদের প্রথম জয় । আর সেই ম্যাচের ৪১ মিনিটে সার্বিয়ার হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি করেন ড্যাংকো ল্যাজোভিচ

সার্বিয়া নামের দেশটি কখনও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের মুল পর্বে খেলতে পারেনি । পায় নি কোন শিরোপার দেখা ।

বিশ্বকাপে সার্বিয়াঃ

বর্তমান সার্বিয়া ২০১০ আর ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের মুলমঞ্চে খেলেছে । যদিও পেরুতে পারেনি গ্রুপ পর্বের বাঁধা । নিজেদের বিশ্বকাপ অভিষেক ম্যাচে সার্বিয়া ০-১ গোলে হেরে যায় ঘানার কাছে । পরের ম্যাচে জার্মানির সাথে পরাজয় ছিল একই ব্যবধানে । শেষ ম্যাচেও সার্বিয়া হেরেছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১-২ গোলে । সেই ম্যাচে সার্বিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন মার্কো পান্টেলিচ । তিনিই বিশ্বকাপে স্বাধীন সার্বিয়ার প্রথম গোলদাতা ।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপে সার্বিয়া প্রথম ম্যাচেই ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় কোস্টারিকাকে । এটি সার্বিয়ার প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ জয় । অ্যালেক্সান্ডার কোলারভ ছিলেন জয়ের নায়ক ।

পরের দুই ম্যাচে সার্বিয়া হেরে যায় সুইজারল্যান্ড আর ব্রাজিলের কাছে । বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকেই ।

সার্বিয়ার স্মরণীয় ফুটবলারঃ

অ্যালেক্সান্ডার কোলারভ সার্বিয়ার ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার । তিনি দেশের হয়ে খেলেছেন ৯৪ ম্যাচ । লেফট উইং ব্যাক হিসেবে তাঁর আন্তর্জাতিক গোলের সংখ্যা ১১টি । ২০১১ সালে নির্বাচিত হয়েছে সার্বিয়ার বর্ষসেরা । ক্লাব ফুটবলে কোলারভ খেলেছেন ল্যাৎজিও , ম্যানচেস্টার সিটি আর ইন্টার মিলানের মতো ক্লাবে । ইটালিয়ান সিরি ‘এ’ আর ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগসহ জিতেছেন ১১টি শিরোপা । ২০১৭-২০ পর্যন্ত ইটালির আরেক ক্লাব এএস রোমায় কাটিয়েছেন । পেয়েছেন দশকের সেরা রোমা দলে জায়গা ।

২০০২-১১ পর্যন্ত সার্বিয়ার হয়ে খেলেছেন নেমাঞ্চা ভিদিচ । সেন্টার ব্যাক হিসেবে ৫৬ ম্যাচে তাঁর গোলের সংখ্যা ২টি । তিনি সার্বিয়ার তো বটেই , নিজ সময়ের অন্যতম বিশ্বসেরা ডিফেন্ডার । দুইবার হয়েছেন সার্বিয়ার বর্ষসেরা । তিনি ইতিহাসের চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে দুই মৌসুম পেয়েছেন বর্ষসেরার সম্মান ।এই রেকর্ড আছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো , থিয়েরি অরি আর কেভিন ডি ব্রুয়েনের । নিজ দেশের রেডস্টার বেলগ্রেড , রাশিয়ার স্পার্টাক মস্কো , ম্যান ইউ আর ইন্টার মিলানে খেলেছেন । সোনালী সময় কাটিয়েছেন ২০০৬-১৪  পর্যন্ত ম্যান ইউতে । রেড ডেভিলদের হয়ে পাঁচটি লীগ আর একটি চ্যাম্পিয়ন্স লীগসহ ক্লাব ক্যারিয়ারে শিরোপা জিতেছেন ১৮টি ।

ইতিহাসে ভিন্ন এক জায়গায় স্মরণীয় হয়ে থাকবেন দেহান স্টাংকোভিচ । তিনটি দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা একমাত্র তাঁরই আছে । ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ খেলেছেন ফেডারেল যুগোস্লাভিয়ার হয়ে । ২০০৬ সালে ছিলেন সার্বিয়া-মন্টেনেগ্রোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য । আর ২০১০ সালে খেলেছেন সার্বিয়া নামের দেশের পক্ষে  । রেডস্টার বেলগ্রেডের হয়ে ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু । পরবর্তীতে ছয় মৌসুম কাটিয়েছেন ল্যাৎজিওতে  । শেষ এক দশক ইন্টার মিলানে । দুইবার পেয়েছেন সার্বিয়ার বর্ষসেরা সম্মাননা । দেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০৩ ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর । গোল করেছেন ১৫টি ।

যুগোস্লাভিয়া পরবর্তী সার্বিয়ার হয়ে সবচেয়ে বেশী ১০৫ ম্যাচ খেলেছেন ব্রানিস্লাভ ইভানোভিচ । এছাড়া স্যাভো মিলাসোভিচ খেলেছেন ১০২ ম্যাচ ।

সার্বিয়ার সর্বকালের সেরা ড্রাগন স্টয়কোভিচঃ

যুগোস্লোভিয়া আর ফেডারেল যুগোস্লাভিয়ার হয়ে দুইটি বিশ্বকাপ খেলেছেন ড্রাগন স্টয়কোভিচ । ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপ  অল স্টার টিমে জায়গা পেয়েছেন ।নব্বই দশকে তাঁর নাম উচ্চারিত হয়েছে ম্যারাডোনা , ব্যাজিও আর গিওর্গি হ্যাজিদের সাথে । ১৯৯০ এর  বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা আর স্টয়কোভিচের মোকাবেলা এখনও ম্লান হয়ে যায় নি স্মৃতি থেকে । ধুন্দুমার লড়াইয়ের পর ম্যাচটি টাইব্রেকারে জিতেছিল ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা । মজার ব্যাপার হচ্ছে , টাইব্রেকারে দুই দলের সেরা ম্যারাডোনা আর স্টয়কোভিচ মিস করেছিলেন নিজ নিজ শট । আসরে স্টয়কোভিচের গোল ছিল দুইটি । সেই দুইটি গোল তিনি করেছিলেন স্পেনের বিপক্ষে নক আউট ম্যাচে । 

১৯৯৮ বিশ্বকাপে তৎকালীন ফেডারেল যুগোস্লাভিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্টয়কোভিচ । নক আউট পর্বে হল্যান্ডের কাছে বিদায় ঘটেছিল দলটির ।

দেশের হয়ে স্টয়কোভিচ ৮৪ ম্যাচে করেছেন ১৫ গোল । দুইবার পেয়েছেন নিজ দেশের বর্ষসেরার পুরস্কার । ক্যারিয়ারের শেষ সাত মৌসুম কাটিয়েছেন জাপানের লীগে । জাপানের ফুটবল উত্থানে অবদানের জন্য পেয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্মান । ২০২২ সালে সার্বিয়া তাঁকে দিয়েছে ‘অর্ডার অফ কারাডোর্ডে’ , যা দেশটির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ।

রোড টু কাতারঃ

কাতার বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব সরাসরি পেরিয়েছে সার্বিয়া । ‘এ’ গ্রুপে পর্তুগালকে ঠেলে দিয়েছে প্লে-অফে । গ্রুপের বাকী চার দল ছিল আয়ারল্যান্ড , লুক্সেমবার্গ আর আজারবাইজান । গ্রুপের আট ম্যাচেই সার্বিয়া ছিল অপরাজিত । জয় ছয়টি আর ড্র দুইটি । শেষ ম্যাচে পর্তুগালের মাটিতে তাদের শেষ ম্যাচে জয়টি অবশ্য ছিল বিতর্কিত । খেলার শেষদিকে রোনালদোর একটি গোল বাতিল হয়ে যায় বল লাইন পেরিয়ে যাবার পরেও ।

বাছাই পর্বে সার্বিয়ার জার্সিতে সর্বোচ্চ আট গোল করেছেন অ্যালেক্সান্ডার মিত্রোভিচ । চার গোল এসেছে দুসান ভ্লাহোভিচের কাছ থেকে ।

বর্তমান তারকাঃ

সার্বিয়ান বর্তমান দলে আছেন ২৮ বছরের ফরোয়ার্ড অ্যালেক্সান্ডার মিত্রোভিচ । ইতোমধ্যে ৭৬ ম্যাচে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ গোলের মালিক । ২০২২ সালে দেশের জার্সিতে ৭ ম্যাচে ৬ গোল করা এই ফরোয়ার্ড আছেন দারুণ ফর্মে । ফুলহ্যামের হয়েও অক্টোবর পর্যন্ত ১২ ম্যাচে পেয়েছেন ৯ গোলের দেখা । ২০১৮-১৯ মৌসুমে ছিলেন উয়েফা নেশন্স লীগের সেরা গোলদাতা । এছাড়া ২০২২-২৩ নেশন্স লীগেও ৬ গোল করে মিত্রোভিচ দেখিয়েছেন নিজের ক্ষমতা । হয়েছেন আর্লিং হাল্যান্ডের সাথে গ্রুপ পর্বের যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতা । কাতার বিশ্বকাপে যে কোন দলের জন্য ভয়ংকর দুঃসংবাদ হতে পারেন মিত্রোভিচ ।

সার্বিয়ান এটাকিং মিডফিল্ডার দুসান টাদিচ দলের অধিনায়কও । তিনি দেশের হয়ে খেলেছেন ৯০ ম্যাচ , করেছেন ১৮ গোল । জাতীয় দলে মিত্রোভিচের সাথে দারুণ বোঝাপড়া । ৩৩ বছর বয়সী টাদিচ বিশ্বকাপে ছন্দে থাকলে যে কোন প্রতিপক্ষের জন্য থাকছে বাড়তি ‘সতর্ক বার্তা’ । গত পাঁচ মৌসুম খেলছেন আয়াক্সে । ২০২০-২১ মৌসুমে ডাচ লীগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ।

এছাড়া বর্তমান স্কোয়াডের ফিলিপ কস্টিচ , নেমাঞ্জা ম্যাক্সিমোভিচ আর লুকা জোভিচদের দিকে রাখতে হবে বাড়তি নজর ।

সাম্প্রতিক পারফর্মেন্সঃ

২০২২ সালে সার্বিয়ার বড় অর্জন অবশ্যই সরাসরি কাতার বিশ্বকাপের ছাড়পত্র পাওয়া । এছাড়াও তাদের উত্তরণ ঘটেছে উয়েফা নেশন্স লীগের টপ টায়ারে । ২০২২-২৩ মৌসুমের নেশন্স লীগে তারা খেলেছিল দ্বিতীয় টায়ারে । নরওয়ে , স্লোভেনিয়া আর সুইডেনকে পেছনে ফেলে তারা হয়েছে গ্রুপের সেরা । নিয়ম অনুযায়ী , আগামী মৌসুমে সার্বিয়া খেলবে নেশন্স লীগ-১ এ ।

২০২২ সালে সার্বিয়া খেলেছে ৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ । জিতেছে পাঁচটি । হেরেছে দুটি আর ড্র একটি ।

কোচ এবং কৌশলঃ

২০২১ সালের মার্চ থেকে সার্বিয়া দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন ড্রাগন স্টয়কোভিচ । তাঁর অধীনে বিশ্বকাপ বাছাই আর নেশন্স লীগে সাফল্য পেয়েছে সার্বিয়া । নিজ দেশের সর্বকালেরর সেরা খেলোয়াড় দলটিকে পরিনত করতে চান বিশ্বশক্তি হিসেবে । সেই পথে সফলতার সাথে এগিয়েও চলেছেন । তাঁর অধীনে এখন পর্যন্ত ২০ ম্যাচে ১৩ জয় , ৪ ড্র আর ৩ হারের দেখা পেয়েছে সার্বিয়া । ২০২১ সালে পেয়েছেন সার্বিয়ার সেরা কোচের পুরস্কার ।

সার্বিয়া দলকে মুলত ৩-৪-১-২ পদ্ধতিতে খেলান । যেখানে মধ্যমাঠের দখল নেয়ার লক্ষ্য থাকে প্রধান । তাঁর এই কৌশল দারুণ কার্যকর । কারণ আধুনিক ফুটবলে মধ্যমাঠের দখল নিতে পারা মানেই সাফল্যের পথে অর্ধেক পথ পাড়ি দেয়া । বিশ্বকাপে স্টয়কোভিচের পছন্দের একাদশ হতে পারে – ভাঞ্জা মিলিংকোভিচ-সেভিচ (গোলরক্ষক) , মিলোস ভেলিকোভিচ , নিকোলা মিলেংকোভিচ , স্ট্রাহিঞ্জা পাভলোভিচ , আন্দ্রিয়া জিভকোভিচ , সাসা লুকিচ , সার্জেই মিলিংকোভিচ-সেভিচ , ফিলিপ কস্টিচ , ডুসান টাডিচ , অ্যালেক্সান্ডার মিত্রোভিচ , দুসান ভ্লাহোভিচ 

বিশ্বকাপে লক্ষ্যঃ

২০১৮ সালে একই গ্রুপে খেলেছিল সার্বিয়া , সুইজারল্যান্ড আর ব্রাজিল । এবারেও তারা ‘জি’ গ্রুপ সঙ্গী । শুধু গতবারের কোস্টারিকার জায়গায় এসেছে ক্যামেরুন । সার্বিয়ার সাথে সুইসদের শক্তির তেমন কোন পার্থক্য নেই । নির্দিষ্ট দিন যে ভাল খেলবে সেই জিতবে । অন্যদিকে , ক্যামেরুনের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামবে সার্বিয়া । বাকী রইল ব্রাজিল । পাঁচবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে চমক দেখাবার সক্ষমতা তাদের আছে । ইউরোপের গতিশীল আর পাওয়ার ফুটবলের সামনে ব্রাজিলের বর্তমান স্কোয়াড  অনেকটাই  অপরীক্ষিত । তাই এই গ্রুপ নিয়ে কিছু বলা যায় না । যে কোন দুই দল নাম লেখাতে পারে নক আউট পর্বে ।   এমনকি , ব্রাজিলেরও গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়  ঘটতে পারে । 

আগামী ২৪ নভেম্বর ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে সার্বিয়ার বিশ্বকাপ মিশন । ২৮ নভেম্বর পরবর্তী ম্যাচ ক্যামেরুনের বিপক্ষে । আর শেষ ম্যাচ ২ ডিসেম্বর । প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড ।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সম্ভাব্য ২৬ জনঃ

গোলরক্ষক- ভাঞ্জা মিলিংকোভিচ-সেভিচ, মার্কো দিমিত্রোভিচ , মার্কো ইলিচ

রক্ষণভাগ- স্টিফেন মিত্রোভিচ , স্ট্রাহিঞ্জা পাভলোভিচ, মিলোস ভেলিকোভিচ , ফিলিপ ম্লাডানোভিচ , আলেস্কা তার্জিক , স্রাডান বাবিচ , নিকোলা মিলেংকোভিচ , মাটিয়া নাস্টাসিচ

মধ্যমাঠ- ডুসান টাডিচ , ফিলিপ কস্টিচ , নেমাঞ্জা ম্যাক্সিমোভিচ , নেমাঞ্জা রাদোঞ্জিক , ফিলিপ ডুরিচিচ , সাসা লুকিচ , আন্দ্রিয়া জিভকোভিচ , সার্জেই মিলিংকোভিচ-সেভিচ , নেমাঞ্জা গুডেলজি , মার্কো গ্রুজিক , উরোস রাচিচ

ফরোয়ার্ড- অ্যালেক্সান্ডার মিত্রোভিচ , লুকা জোভিচ , দুসান ভ্লাহোভিচ

শেষ কথাঃ

বর্তমানে ফিফা র‍্যাংকিংয়ের ২১তম অবস্থানে থাকা সার্বিয়াকে ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে দেখা যেতে পারে কাতার বিশ্বকাপে ।

আহসান/বিশ্বকাপ-২৫