Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

বিশ্ববিদ্যালয়েও দেয়া হচ্ছে রোনালদোর উদাহরণ

ক্রীড়ালোক প্রতিবেদকঃ

নিজ যোগ্যতায় সময়ের সীমারেখা পেরিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো উঠে গেছেন সর্বকালের সেরা ফুটবলারের কাতারে । অনেকে তাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিবেচনা করতেও দ্বিধা করেন না । অথচ রোনালদো ঠিক ‘ইশ্বর প্রদত্ত প্রতিভা’ বলতে যা বোঝায় , সেই দলের নন । বরং অক্লান্ত পরিশ্রম আর হার না মানসিকতায় নিজেকে নিয়ে গেছেন সাফল্যের চুড়ায় ।

রোনালদো শুধু বিশ্ব-ফুটবলের ‘আইকন’ নন , এখন তিনি যে কারো সাফল্যের প্রেরণার ‘উৎস’ । সম্প্রতি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের টুলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে রোনালদোকে অনুপ্রেরণাদায়ী উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে । আর সেটা করেছেন রোনালদোর বর্তমান ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মালিক গ্লেজার পরিবারের সদস্য আভরাম গ্লেজার। আভরাম আর তার স্ত্রী ‘জিল’ – টুলেন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের বড় পৃষ্ঠপোষক ।

আভরাম বিশ্ববিদ্যালয়য়ের তরুণ খেলোয়াড়দের কাছে ‘রোনালদো’র পরিশ্রম করার মানসিকতাকে অনুসরণ করতে বলেন ।

৩৬ বছর বয়সী রোনালদো দাপটের সাথে খেলছেন বিশ্ব ফুটবলে । চলতি বছরেই হয়েছেন আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বকালের সেরা গোলদাতা । উয়েফার আসরেও সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় আর গোলদাতা তিনি । জিতেছেন পাঁচটি ব্যালন ডি’অর । তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি ইউরোপের সেরা তিন লীগে (ইংল্যান্ড, স্পেন , ইটালি ) পেয়েছেন বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মান । এমনকি সেরা তিন ইউরোপিয়ান ক্লাবে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তার আছে গোলের সেঞ্চুরি ।

চলতি মৌসুমেই ইটালির জুভেন্টাস ছেড়ে দ্বিতীয়বারের মত ম্যান ইউতে যোগ দিয়েছেন রোনালদো । দলের অবস্থা যেমনই হোক , রোনালদো আছেন তার স্বমুর্তিতে । ইতোমধ্যে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১২ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল । সবচেয়ে বড় কথা – লিগ হোক বা চ্যাম্পিয়নস লিগ, ইউনাইটেডের মান বাঁচানো, ম্যাচ বাঁচানো, ম্যাচ জেতানো গোলের প্রায় সবগুলোই আসছে রোনালদোর কাছ থেকে!

টুলেন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের আলোচনা সভায় আভরাম বলেন , ‘ রোনালদো যখন ম্যান ইউতে যখন প্রথম আসে , তখন তার বয়স মাত্র ষোল বছর (আসলে ২০০৩ সালে ১৮ বছরে রোনালদো ম্যান ইউতে এসেছিলেন) । সেই থেকে এখন পর্যন্ত অনুশীলনে সে সবার আগে আসে । আর সবার পরে অনুশীলন শেষ করে । ‘

টুলেন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের আমেরিকা ফুটবল দলটি বেশ বেকায়দায় আছে । চলতি মৌসুমে দলটি নয় ম্যাচের আটটায় হেরেছে আর জিতেছে একটি ম্যাচ । সেই কারণেই দলকে জাগাতে আর খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে ‘রোনালদো-অস্ত্র’ ব্যবহার করেন আভরাম ।

নিজের বক্তব্যে আভরাম বলেন , ‘অসাধারণ এথলেটরা নিজেদের গড়ে তোলেন কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে । তাদের মধ্যে কাজ করে অদম্য মানসিকতা । ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে জয়ের পথে অবিচল থাকাই মহান আর সফল খেলোয়াড়দের চরিত্র । এই ক্ষেত্রে রোনালদোকে দেখে সবাই শিক্ষা নিতে পারে । ‘

আহাস/ক্রী/০০৪