Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

নিজের ‘জাত’ বিশ্বকাপেই চেনালেন ওয়ার্নার

ক্রীড়ালোক প্রতিবেদকঃ

শেষ হয়েছে আইসিসি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর । দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে আট উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মত ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের শিরোপা জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ।

অস্ট্রেলিয়ার শিরোপা জয়ে ব্যাট হাতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন ডেভিড ওয়ার্নার । ফাইনালে করেছেন ৩৮ বলে ৫৩ রান । সেমি ফাইনালেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩০ বলে ৪৯ রানের অসামান্য ইনিংস । সুপার শেষ ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন ৮৯ রানে । সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের সাত ম্যাচে ২৮৯ রান করে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক ।হাফসেঞ্চুরি তিনটি ।

পাকিস্তানের বাবর আজমের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩০৩ রান । কিন্তু দলকে বিশ্বকাপ জেতানোয় ‘ম্যান অফ দা টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হয়েছেন ওয়ার্নার ।

অথচ এই ওয়ার্নারই বিশ্বকাপ শুরুর আগে রানের জন্য রীতিমত সংগ্রাম করেছেন । চলতি বছরেই খুইয়েছেন আইপিএলে সানরাইজার্স হায়েদ্রাবাদের নেতৃত্ব । গত মাসে আইপিএলের দ্বিতীয়ার্ধে সানরাইজার্সের প্রথম একাদশ থেকেও বাদ পড়েন তিনি।

২০২১ সালে আইপিএলের ৮টি ম্যাচে মাঠে নেমে ওয়ার্নার ২৪.৩৭ গড়ে ১৯৫ রান সংগ্রহ করেন। স্ট্রাইক রেট ১০৭.৭৩। নিজের আইপিএল কেরিয়ারে সব থেকে খারাপ স্ট্রাইকরেটে ওয়ার্নার রান সংগ্রহ করেন এ বছরই। হাফ-সেঞ্চুরি করেন ২টি। তাঁর এমন পারফর্ম্যান্সে আস্থা হারিয়ে সানরাইজার্স কর্তৃপক্ষ ওয়ার্নারকে প্রথম একাদশ থেকে বাদ দিতেও পিছপা হয়নি। কিন্তু সেই ওয়ার্নারই বিশ্বকাপে জ্বলে উঠলেন স্বরূপে ।

চলতি বিশ্বকাপের সেরা নির্বাচিত হওয়ার ম্যাচে নিজের দেশের হয়ে আরও কিছু কীর্তি গড়েছেন তিনি। এক আসরে এতোদিন সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ছিলো ম্যাথু হেইডেনের। ২০০৭ বিশ্বকাপে ২৬৫ রান করা ম্যাথু হেইডেন এতোদিন ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলেন। আজ ৫৩ রানের ইনিংস খেলার দিনে ওয়ার্নারের বর্তমান রান ২৮৯। যা চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দেশের হয়ে বিশ্বকাপে এখন সর্বোচ্চ রানের মালিক ওয়ার্নার।

টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার দিনে ওয়ার্নারের ২০১০ বিশ্বকাপ ইংল্যান্ডের কাছে ফাইনালে হারের কথা মনে পড়ছে ওয়ার্নারের। পুরষ্কার বিতরণী মঞ্চে ওয়ার্নার বলেছেন, ‘আমি সব সময়ের মতো ইতিবাচক ছিলাম। আমি আমার বেসিকে থেকেছি, চেষ্টা করেছি বাজে বলগুলোতে সীমানা ছাড়া করতে। এক দশক আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে হার আমাদের মনে ছিলো। আমরা চেষ্টা করেছি সেখানে না ফিরতে। ফাইনালে সব সময় অনেক বেশি চাপ থাকে। ছেলেরা সবাই চাপ জয় করতে পেরেছে। দারুন এক অনুভূতি।’

আহাস/ক্রী/০০৪