Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক

ক্রীড়ালোক প্রতিবেদকঃ

করোনা মহামারীর ধাক্কা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরার অপেক্ষায় বাংলাদেশ । চলতি মাসেই নেপালের বিপক্ষে দুইটি প্রীতি ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় জেমি ডের শিষ্যরা । এই দুই ম্যাচকে সামনে রেখে পুরোদমে নিজেদের প্রস্তুত করছে জামাল ভূঁইয়ারা ।

নেপালের বিপক্ষে আগামী ১৩ আর ১৭ নভেম্বর ম্যাচ দুইটি খেলবে বাংলাদেশ । দুইটি ম্যাচই হবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে । ম্যাচ দুইটির জন্য দেড় সপ্তাহ ধরে অনুশীলন করছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা । যদিও সেই অনুশীলনের শুরু থেকে দলের সাথে ছিলেন না ইংলিশ কোচ জেমি ডে । গত জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের দায়িত্ব শেষে দেশে ফেরেন তিনি । মাঝে করোনা মহামারীর কারণে খেলা না থাকায় রয়ে যান নিজ দেশেই পরিবারের । সেই বিরতি শেষে নতুন মিশন নিয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসেন তিনি । রবিবার (১ নভেম্বর) । কোয়ারেন্টাইন এবং কোভিড-১৯ পরীক্ষা শেষে বিদেশি কোচিং স্টাফের সবাই যোগ দিয়েছেন জাতীয় দলের সাথে । ৩৪ ফুটবলার এবং পুরো কোচিং স্টাফ নিয়ে পূর্ণতা পেয়েছে জাতীয় দলের ক্যাম্প ।

গত মে মাসে জেমি ডের সাথে দুই বছরের চুক্তি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) । সেই চুক্তির পর এবারেই প্রথম ঢাকায় আসা ইংলিশ কোচের । প্রথম দিনের প্রস্তুতি শেষে দল নিয়ে মিশ্র অনুভূতি জানিয়েছেন জেমি ডে , ‘ নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের আগে খুব বেশী সময় পাচ্ছি না । খেলোয়াড়রা খেলার মধ্যে ছিল না । ফলে কারো কারো ফিটনেসে ঘাটতি আছে । আপাতত খেলোয়াড়দের ফিটনেসের উপর জোর দিচ্ছি । ‘

একই দিন জাতীয় দলের অনুশীলনে প্রথম যোগ দিয়েছেন নতুন ইংলিশ গোলরক্ষক কোচ লেস ক্লিভলি। প্রায় দেড় ঘণ্টা গোলরক্ষক আশরাফুল রানা, আনিসুর রহমান, পাপ্পু হোসেন ও শহিদুল ইসলামকে অনুশীলন করিয়েছেন তিনি। প্রথম দিনে গোলরক্ষকদের পজিশনিং নিয়েই বেশি কাজ করতে দেখা গেছে তাঁকে।

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আরও কিছু দিন হাতে পাচ্ছেন কোচ। এই সময়ে সে ‌‘ঘাটতি’ দূর করে পুরোপুরি ফিট করে তুলতে চান দলকে, ‌‘গোটা দলকে ভালো একটি জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে দেখতে হবে খেলোয়াড়দের ফিটনেস কী অবস্থায় আছে।’

নেপালের বিপক্ষে দুই প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে গত ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় দলের প্রস্তুতি। এত দিন স্থানীয় কোচদের অধীনে ক্যাম্প চললেও প্রধান কোচ জেমির পাঠানো অনুশীলনসূচি অনুযায়ীই তা চলেছে।

নতুন গোলরক্ষক কোচের সঙ্গে কাজ শেষে আশরাফুল রানা বলেন, ‘বেশ কয়েক বছর ধরে আমরা জাতীয় দলের ভালো কিছু গোলরক্ষক কোচের অধীনে কাজ করেছি। একেক জনের দর্শন একেক রকম। ক্লিভলি’র দর্শনটাও একটু আলাদা মনে হয়েছে। তার যেহেতু বড় বড় ক্লাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তাই আমাদের চেষ্টা থাকবে লেস ক্লিভলির কাছ থেকে ভালো কিছু আদায় করে নেয়া।’

আহাস/ক্রী/০০৪