Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

পিসিবি থেকে বাড়তি অর্থ পাচ্ছে না জিম্বাবুয়ে

ক্রীড়ালোক প্রতিবেদক:

দেশের মাটিতে খেলা ফেরাতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে পিসিবিকে। নিষেধাজ্ঞার পর প্রথম জিম্বাবুয়েকে দিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করে পাকিস্তান। তবে নিজেদের মাটিতে সেবার ব্রেন্ডন টেলরদের খেলাতে প্রত্যেক ক্রিকেটারকে অতিরিক্ত ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার দিতে হয়েছিল। তবে পিসিবি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অনেক হয়েছে, আর না!

আর সেকারণেই চলতি মাসে তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাওয়া রোডেশিয়ানরা পাচ্ছে না বাড়তি টাকা। তবে বাড়তি টাকা দিয়ে নিজ দেশে খেলানো জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলই একমাত্র নয়। অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ ও বিশ্ব একাদশের ম্যাচ আয়োজনের জন্যও। ক্যারিবিয়ানদেরও প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ২ লাখ ৫০,০০০ মার্কিন ডলার ও বিশ্ব একাদশের ক্রিকেটারদের এক লাখ মার্কিন ডলার করে দিতে হয়েছিল।

ক্রিকেটারদের অতিরিক্ত অর্থ দেয়া সঠিক ছিল বলে দাবি করেন পিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিম খান। শনিবার পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কর্মকর্তা জানান, পাকিস্তানের ক্রিকেটকে পুনরুজ্জীবিত করতে এই উদ্যোগ সহায়তা করেছিল।

ওয়াসিম বলেছেন, ‘২০১৫-১৮ সালে পাকিস্তানে সফর করার জন্য জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বিশ্ব একাদশকে অর্থ দিয়েছিল পিসিবি। আমার মনে হয় তখনকার জন্য সেই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি আস্থা তৈরি করতে ও পাকিস্তানের ক্রিকেটকে পুনরুজ্জীবিত করতে সেটা সহায়তা করেছিল।’

তবে ২০১৫ সালের মতো এবার আর জিম্বাবুয়েকে অর্থ প্রদান করবে না পিসিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করে ওয়াসিম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের অর্থের প্ররোচনা দিয়ে পাকিস্তান সফর করোনার দিন আমরা পিছনে ফেলে এসেছি।’

জিম্বাবুয়ে-পাকিস্তানের ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ অক্টোবর থেকে। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ১ নভেম্বর। আর সিরিজের শেষ ওয়ানডে মাঠে গড়াবে আগামী ৩ নভেম্বর। এরপর ৭ নভেম্বর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৮ নভেম্বর। ১০ নভেম্বর শেষ টি-টোয়েন্টি দিয়ে সমাপ্ত হবে জিম্বাবুয়ের পাকিস্তান সফর।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের উপর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনে নিষেধাজ্ঞায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ধীরে ধীরে দেশটিতে পুরোদমে ফিরতে শুরু করেছে ক্রিকেট। বেশ কয়েকটি টেস্ট খেলুড়ে দল সফর করেছে পাকিস্তানে। আগামী বছরে সেখানে খেলতে যাবে ইংলিশরাও।

নিহে/ক্রী/০০৬