Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

পাকিস্তানি ঘরোয়া ক্রিকেটেও জুয়াড়িদের হানা

ক্রীড়ালোক প্রতিবেদক:

ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়ানো পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের জন্য নতুন কিছু নয়। হোক সেটা আন্তর্জাতিক অথবা ঘরোয়া টুর্নামেন্ট, ফিক্সিংয়ের বড় বড় কাণ্ডেই জড়িয়েছেন দেশটির খেলোয়াড়রা। সেলিম মালিক, মোহাম্মদ আমির ও দানিশ কানেরিয়া, নাসির জামশেদ, সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফের মতো তারকা ক্রিকেটারদের নাম উঠেছে কালো তালিকায়।

পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম আলোচনার বিষয় ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিং। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি এবারে জুয়াড়িদের নজর পড়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটেও। পাকিস্তানের ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগে এক ক্রিকেটারকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন এক জুয়াড়ি।

তবে ওই ক্রিকেটার বিষয়টি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দুর্নীতি দমন বিভাগকে জানিয়েছেন দ্রুতই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের পরিচালক লেঃ কর্নেল আসিফ মাহমুদ (অবঃ)।

সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতিতে আসিফ জানিয়েছেন, পিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগ ইতোমধ্যে তদন্ত চালিয়েছে। বিষয়টি তাদের কাছে জানানোয় ওই ক্রিকেটারকে ধন্যবাদ দিয়েছেন তিনি। পিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের আইন অনুসরণ করে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব আমাদের কাছে তুলে ধরার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।’

টুর্নামেন্টের শুরুতেই প্রত্যেক ক্রিকেটারকেই দুর্নীতি কিংবা ফিক্সিংয়ের বিষয়ে সব ধরনের সতর্কতামূলক বার্তা দিয়ে রেখেছে পিসিবি। এবং জানিয়ে দিয়েছে কেউ প্রস্তাব পেলে তার করণীয় কি হবে সেটিও। নানা সময়ে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠার পর থেকে এই বিষয়ে সতর্ক হয় পিসিবি। এবং ২০১০ সালের পর থেকে প্রতিটি টুর্নামেন্টের আগেই ক্রিকেটারদের সতর্ক করে তারা।

তবুও ফিক্সিংয়ের কালো থাবায় পাকিস্তানের ক্রিকেটের বেশকিছু তারকা ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার অকালে ঝরে পড়েছে । জুয়াড়িদের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়ে পিসিবির কিংবা আকসু’কে না জানানোর কারণে দেড় বছরের নিষেধাজ্ঞায় আছেন উমর আকমল। পিএসএল ও বিপিএলে ঘুষ দেওয়া-নেওয়ার অভিযোগে আগেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটসম্যান নাসির জামশেদ।

নিহে/ক্রী/০০৭