Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

ক্লাবগুলোকে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সুপারিশ

ক্রীড়ালোক প্রতিবেদকঃ

সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাসিনো কাণ্ডে টালমাটাল দেশের ক্রীড়াঙ্গন । মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব , আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ আর ফকিরাপুলের মত ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পর এখন নড়েচড়ে বসেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় । দেশের ক্লাবগুলোতে খেলাধুলার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে নেয়া হচ্ছে নতুন পদক্ষেপ ।

বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি জানিয়েছেন , ক্লাবগুলোকে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা চলছে । শনিবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) আয়োজিত ক্রীড়া সাংবাদিক এবং লেখকদের স্বীকৃতি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এই কথা জানান ।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘অনেক বছর ধরেই ক্লাবগুলোতে নৈরাজ্য চলে আসছে। ক্লাবগুলোয় ক্যাসিনো বাণিজ্য হওয়ায় দেশের খেলাধুলার ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। এর দায়ভার আমরা নিতে পারি না। নিতে হলে এই ক্লাবগুলো ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। দেশের যে সব ক্রীড়া ক্লাব লিমিটেড কোম্পানী হয়েছে তারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত। আর অন্য ক্লাবগুলো নিবন্ধিত সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। অথচ এসব নামে ক্রীড়া ক্লাব।’

প্রয়োজনে ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন আইন প্রণয়ন করে ক্লাবগুলোতে জবাবদিহিতা আনার কথাও জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী । তিনি বলেন, ‘যেহেতু এই ক্রীড়া ক্লাবগুলো আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত নয়, তাই আমরা এগুলোর দেখভাল করতে পারি না, করতে পারবোও না। আমি মনে করি, বিদ্যমান আইনটি পরিবর্তন করে ক্লাবগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা দরকার। অন্তত একটি ধারাও যদি থাকে তাহলে আমরা ক্লাবগুলোকে জবাবদিহীতার অধীনে আনতে পারবো।’

মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো আমাদের নিবন্ধিত। ফেডারেশনগুলো ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে দায়বদ্ধ। আমরা ফেডারেশনগুলোকে সহযোগিতা করে থাকি সেগুলো আমাদের অধীনে বলে। ক্রীড়া ক্লাবগুলো আমাদের অধীনে থাকলে সেগুলোকেও সহযোগিতা করতে পারবো।’

ক্লাবগুলোয় ক্যাসিনো বাণিজ্য করে যারা দেশের খেলাধুলার সুনাম নষ্ট করেছে তাদের বিচার হবে উল্লেখ করে দেশের খেলাধুলার এই অভিভাবক বলেছেন, ‘আমরা চাই না কিছু মানুষের জন্য ক্রীড়াঙ্গন কলুষিত হোক। যারা এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার হওয়া উচিত, বিচার হতেই হবে।’

আহাস/ক্রী/০০৮